Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

                                    

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। পরিকল্পিত নগরায়ন ও আধুনিক খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ১৯৬১ সালের ২১ জানুয়ারী এই প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি। জন্মের সূচনালগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানটি নগর পরিকল্পনা, মহানগর উন্নয়নে অংশগ্রহন এবং অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সবকিছুর মূলে রয়েছে জনসেবাকে আরো গতিশীল ও যুগোপযোগী করা ।

 

      অপরদিকে বর্তমানে দেশে চলমান দূর্ণীতি বিরোধী অভিযান এবং পুরাতন ধ্যান-ধারনা বদলে সেবামূখী প্রতিষ্ঠান সমূহে চলছে দিন বদলের ঐকান্তিক চেষ্টা-যার মাধ্যমে সকল কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং সেবা প্রত্যাশী মানুষের সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু একথা অনস্বীকার্য যে, দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটের কারনে জনসাধারন অনেক প্রতিষ্ঠানের কাজ সম্পর্কে অবগত নয়। আর একারনেই কথিত দুষ্টচক্রের কবলে পড়ে তারা অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হয়। এ থেকে পরিত্রানের জন্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব তার সেবামূলক কর্মকান্ড জনগনকে অবহিত করা।

 

দেশ ও জাতির এক সংকটময় মূহুর্তে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই শুরু হয়েছে সর্বত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে গতিশীলতা বৃদ্ধি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার এক মহান কর্মযজ্ঞ। সেই কর্মযজ্ঞের ক্ষুদ্র অংশীদার হিসাবে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও তার সার্বিক কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আর সেই প্রতিজ্ঞার অংশ হিসাবে এবং সরকারী নির্দেশনার আলোকে এই কর্তৃপক্ষের নাগরিক সেবার সমগ্র তথ্যচিত্র সবাইকে অবগত করার মানসে নেয়া হয়েছে One stop service এর পাশাপাশি এসেবা কার্যক্রম নির্দেশিকা প্রকাশের উদ্যোগ।

 

এই নির্দেশিকায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদেয় সেবা ও সেবা সংক্রান্ত তথ্যাদির পাশাপাশি কার্যক্রম সম্পাদনের সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে-যাতে করে সেবা প্রত্যাশীগণ নির্ধারিত সময়ের মাঝে সেবা পেতে পারেন। মূল কথা এর মাধ্যমে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মহাপরিকল্পনা এলাকার সেবা গ্রহণকারী গণমানুষের সহায়তা নিশ্চিত করা। পরিশেষে আশা করা যায় যে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অত্র কর্তৃপক্ষের সম্প্রসারিত সেবা কর্মসূচীর আওতায় পরিকল্পিত নগরায়ন, নিরাপদ ইমারত নির্মাণ ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষঅংশগ্রহনের সাথে সাথে জবাবদিহিতা, সময়ানুবর্তিতা, সততা ও ন্যায়নীতিকে সামনে রেখে সেবাগ্রাহকদের প্রত্যাশা পূরন করাই হোক আমাদের অংগীকার ।

 

বৈষয়িক শাখা

 

        কেডিএ হতে প্লট বরাদ্দ পাওয়ার নিয়মাবলীঃ

১)     কেডিএ’র বৈষয়িক শাখা হতে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় আবাসিক, আবাসিক-কাম-বাণিজ্যিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প প্লট বরাদ্দের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

 

২)     আবাসিক ও শিল্প প্লটের ক্ষেত্রে কাঠা প্রতি বরাদ্দ মূল্য নির্ধারিত থাকে। কেডিএ’র অভ্যর্থনা কক্ষহতে নির্ধারিত মূল্যে আবেদন ফরম ক্রয় করে যথাযথভাবে পূরন করতঃ বিজ্ঞপ্তিতে উলেস্নখিত অর্থের পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট জামানত হিসাবে এবং চাহিত অন্যান্য ডকুমেন্ট আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হয়। 

 

৩)    বাণিজ্যিক পস্নট টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয় করা হয় বিধায় ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে কাঠা প্রতি মূল্য উদ্ধৃত করে উদ্ধৃত অর্থের ১০% পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট জামানত হিসাবে সংযুক্ত করে চাহিত অন্যান্য ডকুমেন্টসহ টেন্ডার দাখিল করতে হবে।

 

৪)     প্লটের আবেদনপত্র যাচাই বাছাই এর পর আবাসিক ও শিল্প প্লটের ক্ষেত্রে লটারীর মাধ্যমে এবং বাণিজ্যিক ও বাণিজ্যিক-কাম-আবাসিক প্লটের ক্ষেত্রে প্রতি প্লটের সর্বোচ্চ উর্দ্ধৃত দর কেডিএ’র ফেস ভ্যালু এবং এ যাবৎকাল প্রাপ্ত উক্ত প্রকল্পের সর্বোচ্চ দর অপেক্ষাবেশী হলে প্লট বরাদ্দ প্রদান করা হয়ে থাকে।

 

৫)     আবাসিক ও শিল্প প্লটের ক্ষেত্রে বাছাইকৃত আবেদনের লটারী অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কৃতকার্যদের বরাদ্দ প্রদান এবং অকৃতকার্যদের বিডি ফেরতের কার্যক্রম ৪৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা হয় ।

 

৬)    প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য সার্বিক সেবা কেন্দ্র (One stop service centre) এ যোগাযোগ করা যেতে পারে।

 

        বরাদ্দ প্রা্প্ত প্লটের টাকা পরিশোধ, দখল, রেজিষ্ট্রেশন ও নামপত্তন (নামজারী) এর নিয়মাবলীঃ

 

      ১)     প্লট বরাদ্দ পাওয়ার এক মাসের মধ্যে অর্ধেক (৫০%) মূল্য পরিশোধ করতে হয়। বাকী ৫০% অর্থ বরাদ্দ পত্রে বর্নিত শর্তানুযায়ী কিস্তিতে পরিশোধ করার বিধান রয়েছে। তবে গ্রাহক ইচ্ছা করলে সম্পূর্ণ টাকা একত্রে পরিশোধ করতে পারে।

 

২)       সম্পূর্ন টাকা পরিশোধের  পর দখল প্রদান করা হয়ে থাকে।

 

 

৩)       অনুমোদনের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সরেজমিনে প্লটের দখল হস্তান্তর করা হয়ে থাকে।

 

৪)     প্লটের দখল হস্তান্তরের পর আবেদনের প্রেক্ষিতে ৪৫ দিনের মধ্যে লীজ দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর কাজ সম্পন্ন করা হয় ।

 

৫)    লীজ দলিল সম্পন্নের পর দলিলের এক প্রস্থ সার্টিফায়িড কপি বৈষয়িক শাখায় জমা দিয়ে ইনফরমেশন স্লিপ (নামপত্তন কাজে) এর জন্য আবেদন করতে হয় ।

 

7)   ইনফরমেশন স্লিপের জন্য আবেদন প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে প্রেরণ করা হয়।

 

8)   বরাদ্দ প্রাপ্তির পর থেকে বরাদ্দ গ্রহীতার উপর ভূমি উন্নয়ন কর প্রযোজ্য হবে ।

 

প্লট হস্তান্তরের নিয়মাবলীঃ

১)     কেডিএ’র অভ্যর্থনা কক্ষহতে নির্ধারিত মূল্যে পস্নট হস্তান্তর ফরম ক্রয় ও যথাযথভাবে পূরন করে ‘‘রিসিভ ও ডেসপাস শাখায়’’ দাখিল করতে হবে।

২)     হস্তান্তর ফরম এর সঙ্গে থাকা নমুনা স্বাক্ষরের ফরমে হস্তান্তর দাতার তিনটি নমুনা স্বাক্ষর ও টিপ সহিসহ ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা (কেডিএ’র কর্মকর্তা ব্যতীত) কর্তৃক স্বাক্ষর সত্যায়িত করে একত্রে দাখিল করতে হবে।

৩)    হস্তান্তর গ্রহীতা যে কাহারও বেনামদার নয় এবং কোন বিভাগীয় শহরে জমি নাই, এই মর্মে ১০০/-(একশত) টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে একটি হলফনামা নোটারী করে হস্তান্তর ফরমের সংগে দাখিল করতে হবে।

৪)     আবাসিক প্লটের ক্ষেত্রে (শুধুমাত্র প্লট থাকলে) কেডিএ’র নির্ধারিত মুল্যের ১০% হস্তান্তরফি পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট আকারে আবেদনের সঙ্গে দাখিল করতে হবে।

৫)   প্লটের উপর ভবন থাকলে কেডিএ কর্তৃক নির্ধারিত ভবনের মূল্য ও জমির মূল্যের ৫% অথবা শুধুমাত্র জমির মূল্যের ১০% যেটি বেশী হয় তা হস্তান্তরফি হিসাবে পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট আকারে চেয়ারম্যান, কেডিএ বরাবর জমা দিতে হবে।

৬)   অনুরুপভাবে বাণিজ্যিক, বাণিজ্যিক-কাম-আবাসিক ও শিল্প প্লটের ক্ষেত্রে (শুধুমাত্র প্লটের ক্ষেত্রে) ১৫% হস্তান্তর ফি পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট আকারে কিংবা প্লট ও ভবনের ক্ষেত্রে কেডিএ কর্তৃক নির্ধারিত ভবনের মূল্য ও জমির মূল্য এর ৫% অথবা শুধুমাত্র প্লটের মূল্যের ১৫% যেটি বেশী হয় তা হস্তান্তর ফি হিসাবে পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট আকারে চেয়ারম্যান,কেডিএ বরাবর জমা দিতে হবে।

৭)    দান বা হেবার মাধ্যমে প্লট হস্তান্তরের ক্ষেত্রে (স্বামী কর্তৃক স্ত্রী কিংবা স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে অথবা সমত্মান কর্তৃক মা- বাবা কিংবা মা-বাবা কর্তৃক সমত্মানকে অথবা সরকারী বিধি মোতাবেক ) কেডিএ’র হসত্মামত্মর ফি প্রযোজ্য হবে না।

৮)    হসত্মামত্মরের আবেদন অনুমতির পূর্বে ব্যাংক/ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনে পস্নটটি দায়বদ্ধ কিনা তা যাচাই বাছাই করে হসত্মামত্মর কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

৯)    দাখিলকৃত আবেদনপত্র ও অন্যান্য সবকিছু ঠিক থাকলে পস্নট হসত্মামত্মরের অনুমতি প্রদান করা হয়।

১০)  অনুমতিপত্র ইস্যুর ২(দুই) মাসের মধ্যে পস্নটের রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় ৫% জরিমানা আদায়যোগ্য।

11)        পস্নটের রেজিষ্টেশনের জন্য প্রয়োজনীয় দলিল টাইপ এর কাজ নির্দিষ্ট ছক মোতাবেক বাহির হতে অথবা নির্ধারিত ফি  প্রদান করতঃ সার্বিক সেবা কেন্দ্র (One stop service centre)হতে সম্পন্ন করা যেতে পারে।

 

 

 

উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত পস্নটের নামজারি পদ্ধতিঃ

১)     পস্নট মালিকের মৃত্যুর পর  ওয়ারিশগণ কর্তৃক ওয়ার্ড কমিশনার বা উপযুক্ত কর্তৃপÿÿর নিকট হতে মৃতের ওয়ারিশ সম্পর্কিত সনদপত্র ও ডেড সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে।

২)     পস্নটের ওয়ারেশগণের নামজারির জন্য ওয়ারেশ সম্পর্কিত সনদপত্র ও সকলের সত্যায়িত ছবিসহ ওয়ারেশগণের পÿÿ যে কোন একজন কর্তৃক সিনিয়র বৈষয়িক অফিসার এর বরাবরে সাদা কাগজে দরখাসত্ম করতে হবে।

৩)    আবেদন পত্রের সঙ্গে দাখিলকৃত ওয়ারেশ সম্পর্কিত সনদপত্র পরীÿামেত্ম সঠিক পাওয়া গেলে ওয়ারেশগণের নামজারী অনুমোদন করা হবে।

৪)     নামজারী অনুমোদন করা হলে প্রত্যেক ওয়ারেশকে ওয়ারেশ কায়েম (নামজারী) এর বিষয়টি ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। 

 

 

        আবাসিক/বাণিজ্যিক / আবাসিক কাম বাণিজ্যিক ও শিল্প পস্নট বিভাজন /সংযুক্তি পদ্ধতিঃ

১)     পস্নটের সাইজ আবাসিক এর ÿÿত্রে ৪.০০ কাঠা এবং আবাসিক কাম বাণিজ্যিক /বাণিজ্যিক এর ÿÿত্রে ৫.০০ কাঠা অথবা শিল্প  পস্নট ২০.০০ কাঠা এর অধিক হলে পস্নটটি বিভাজনযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবে।

২)     বিভাজনযোগ্য পস্নট বিভাজন করতে চাইলে যেভাবে বিভাজন করতে আগ্রহী তার স্কেচসহ সাদা কাগজে পস্নট বিভাজন সংযুক্তির জন্য চেয়ারম্যান, কেডিএ বরাবরে আবেদন করতে হবে। সংযুক্তির ÿÿত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। 

৩)    কেডিএ’র  পস্নট বিভাজন/ সংযুক্তি  নীতিমালা মোতাবেক বিভাজন / একত্রীকরনের অনুমোদন দেওয়া হবে।

৪)     বিভাজন অনুমোদন করা হলে চিঠির মাধ্যমে জমির ফেস ভ্যালুর ১% পরিমান বিভাজন ফি জমা দিতে বলা হয়।

৫)   সংযোজন অনুমোদনের পর মোট জমির ( যে দুটি পস্নট সংযুক্ত হবে) ফেস ভ্যালুর ১% পরিমান সংযুক্তি ফি জমা দিতে বলা হয়।

৬)   বিভাজন/সংযুক্ত ফি জমা প্রদান করা হলে অনুমোদিত স্কেচসহ বিভাজন/সংযোজন করা পস্নট সম্পর্কে ফি জমাদানের ৩০ দিনের মধ্যে চিঠির মাধ্যমে গ্রাহককে জানিয়ে দেয়া হয় ।

 

 

দোকান / ষ্টল / স্পেস বরাদ্দের নিয়মাবলীঃ

১)    দোকান/ ষ্টল / স্পেস বরাদ্দের পূর্বে  বহুল প্রচারের জন্য পেপারে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হয় ।

২)    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী কেডিএ অভ্যর্থনা কÿ হতে আবেদন ফরম ক্রয় করতে হয়।

৩)    টেন্ডার ফরমের শর্তানুযায়ী ফরম পূরণ করে নির্ধারিত তারিখে জমা প্রদান করতে হয়।

৪)    টেন্ডার দাতাদের উপস্থিতিতে টেন্ডার খোলার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে ।

৫)   দোকান/ষ্টলের/স্পেসের  সংখ্যা অপেÿা আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে সেÿÿত্রে লটারীর মাধ্যমে দোকান/ ষ্টল / স্পেস বরাদ্দ প্রদান করা হয়।

৬)   বরাদ্দ মেয়াদ উর্ত্তীনের পর আবেদনক্রমে নবায়ন করা যায় (কর্তৃপÿ ইচ্ছাকরলে পুনঃ টেন্ডারের ব্যবস্থা করতে পারে)।

৭)    বরাদ্দপত্রের চুক্তি মোতাবেক লীজ এগ্রিমেন্ট সম্পন্ন করতে হয়।

৮)    প্রতিটি  দোকান/ষ্টল/ স্পেসের  জন্য নির্ধারিত ভাড়া এই কর্তৃপÿÿর অনুকূলে প্রদান করতে হয়।

৯)    লটারীর মাধ্যমে দোকান/ষ্টল বরাদ্দের ÿÿত্রে কৃতকার্যদের বরাদ্দ এবং অকৃতকার্যদের বিডি প্রদান কার্যক্রম ৩০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে ।

 

 

বিল বোর্ড বরাদ্দের নিয়মাবলীঃ

1)    আবেদনের /টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিল বোর্ড স্থাপনের অনুমতি প্রদান করা হয়ে থাকে ।

2)    বাৎসরিক প্রতি বর্গফুট হিসাবে নির্ধারিত সময়ের জন্য ভাড়া প্রদান করা হয়ে থাকে ।

3)    মেয়াদ শেষ হলে আবেদনের প্রেÿÿতে নবায়ন করা যেতে পারে ।

 

  কেডিএ’র পস্নটের নক্সা অনুমোদনের জন্য বৈষয়িক শাখা কর্তৃক ছাড়পত্র প্রদানের পদ্ধতিঃ

1)        কেডিএ অথরাইজড শাখায় নকশা অনুমোদনের জন্য নকশা দাখিল করলে অথরাইজড শাখা বৈষয়িক শাখায় পস্নট সংক্রামত্ম তথ্যাবলী চেয়ে নথি প্রেরণ করে থাকে।

2)      উক্ত নকশা অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী বৈষয়িক শাখার অংশ পূরণ করে স্বাÿর করে অথরাইজড  শাখায় প্রেরণ করা হয়।

 ৩)   কোন প্রকার অসংগতি না থাকলে দাখিলের ৭ দিনের মধ্যে তথ্যাবলী প্রদান করা হয় ।

 

আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প পস্নট বন্ধক রেখে ঋণ পাইবার জন্য NOCগ্রহণের পদ্ধতিঃ

1)              পস্নটের বরাদ্দ গ্রহীতা যে অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠান হতে ঋণ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক তার নাম উলেস্নখ পূর্বক NOC গ্রহণের জন্য সিনিয়র বৈষয়িক অফিসার বরাবর আবেদন করতে হবে।

 

2)              বরাদ্দ গ্রহীতা কর্তৃক ইতোপূর্বে উক্ত পস্নটের উপর অন্য কোন অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠান হতে ঋণ গ্রহণ করা হলে সেক্ষেত্রে সংশিস্নষ্ট ব্যাংক কর্তৃক দায়-দেনা সংক্রামত্ম প্রত্যয়ন পত্রের আলোকে ঘঙঈ প্রদান করা হয়।

 

3)              ৩০ দিনের মধ্যে ঘঙঈ প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় ।

 

        আমমোক্তারনামা গ্রহণ পদ্ধতিঃ

1)              কেডিএ’র যে কোন পস্নটের বরাদ্দ গ্রহীতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী পস্নটটি বিক্রয়, বন্ধক, রেজিষ্ট্রেশন করার দায়িত্ব দিয়ে সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস কর্তৃক দলিলের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করে উক্ত আমমোক্তার  দলিল দাখিল করতে হয়।

 

2)              উক্ত মূল আমমোক্তার দলিলের সার্টিফাইড কপি দাখিল করলে সেÿÿত্রে মূল টিকিট সরবরাহ করতে হয়।

 

3)              আমমোক্তারনামা দলিল সংক্রামত্ম বিষয়ে কেডিএ’র আইন উপদেষ্টার পরামর্শ নেওয়া হয়।

 

4)              পরবর্তীতে আইন উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

 

পরিকল্পনা শাখা

কেডিএ হতে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র (No objection certificate /n o c) পাওয়ার নিয়মাবলী

 

১)    কেডিএ’র অভ্যর্থনা কÿ হতে নির্ধারিত মূল্যে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্রের আবেদন ফরম ক্রয় ও যথাযথভাবে পূরন করে ডেসপাস শাখায় দাখিল করতে হবে।

২)    আবেদন ফরম এর সঙ্গে জমির ০৩ (তিন) কপি লে-আউট পস্ন্যান (যাতায়াতের রাসত্মা, আশপাশের ভবনের অবস্থান, মৌজা ম্যাপসহ) মালিকের স্বাÿরসহ সংযুক্ত করতে হবে।

৩)    জমির মালিকানা সম্পর্কিত বৈধ কাগজপত্র (দলিল/পর্চা/অন্যান্য ডকুমেন্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি) সংযুক্ত  করতে হবে।

৪)     আবেদনপত্র যথাযথ বিবেচিত হলে আবেদনপত্র প্রাপ্তির জোনাল অবস্থান অবগতি পত্র ও ঋণ গ্রহণের তথ্যপত্র ২১ দিন এবং মাষ্টার পস্নান পরিপন্থি ভূমি ব্যবহারের অনুমতিপত্র ৪৫ দিনের মধ্যে এন ও সি (ঘঙঈ) আবেদনকারীর ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

৫)    আবেদন পত্রে কোন ভুল/ত্রম্নটি পরিলÿÿত হলে তাও উক্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদনকারীকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

৬)    নির্দিষ্ট ফি জমা দান পূর্বক  One stop service centreএর মাধ্যমে কাজটি সম্পাদনে সহযোগিতা করা হয়।

 

অথরাইজড শাখা

নকশা অনুমোদন  সম্পর্কিত নিয়মাবলীঃ

 

১)     ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এর আলোকে কেডিএ’র তালিকাভূক্ত নক্শা প্রনয়ণকারী ব্যক্তি/ফার্ম এর  মাধ্যমে নক্শা প্রস্ত্তত করতে হবে।

 

২)     দ্বিতীয় তলা পর্যমত্ম ভবনের নক্শার ÿÿত্রে স্থাপত্য ও ভিত্তির নক্শা দাখিল করতে হবে ।

৩)    দ্বিতীয় তলার অধিক আবাসিক ভবন ও যে কোন তলা বিশিষ্ট শিল্প ভবনের ÿÿত্রে স্থাপত্য নক্শা, মাটি পরীÿার রিপোর্ট ও বিসত্মারিত কাঠামো নক্শা দাখিল করতে হবে।

 

৪)     পাঁচ তলার অধিক উঁচু যে কোন ভবনের ÿÿত্রে এতদ্ব্যতীত কাঠামো নক্শার বিসত্মারিত ক্যালকুলেশন সীট জমা  দিতে হবে।

 

৫)    ছয় তলার অধিক উঁচু যে কোন ভবনের ÿÿত্রে নক্শার সাথে ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র জমা দিতে হবে এবং নক্শায় লিফট এর ব্যবস্থা রাখতে হবে।

 

৬)    কেডিএ’র অভ্যর্থনা কÿ হতে নির্ধারিত মূল্যে নক্শা অনুমোদন সংক্রামত্ম আবেদন ফরম ক্রয় ও যথাযথভাবে পূরন করে জমির মালিকানার বৈধ ডকুমেন্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি নক্শার সাথে দাখিল করতে হবে।

 

৭)    ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ÿÿত্রে পরিকল্পনা শাখা হতে সংগৃহীত ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত এন ও সি সংযুক্ত করতে হবে।

 

৮)    প্রসত্মাবিত নক্শা কমপÿÿ ০৬ (ছয়) কপি দাখিল করতে হবে ।

 

৯)   নক্শা প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে নক্শা অনুমোদন এর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিংবা কোন ভুল ত্রম্নটি থেকে থাকলে  আবেদনকারীকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

 

১০)          স্বল্প আয়ের ব্যক্তিবর্গকে  সহজ সেবা প্রদানের লÿÿ্য নির্দিষ্ট ফি গ্রহণ করে one stop service centerএর মাধ্যমে  টিনসেড/সেমিপাকা পস্নান প্রনয়ণ ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

 

 

অননুমোদিত/অনুমোদিত নকশা বহির্ভূত স্থাপনা অপসারণ ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত তথ্যঃ

 

1)              অনুমোদিত নির্মাণ কাজ অপসারণের ÿÿত্রেঃ

ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এর ১৮ নং উপধারা ৪ এর বিধি বর্হিভূত নির্মাণ কাজ করলে উক্ত বর্হিভূত অংশ অপসারন করা হয়। অর্থাৎ

 

(K)        ইমারতের সম্মুখে অর্থাৎ রাসত্মার দিকে-রাসত্মার কেন্দ্র হতে ৪.৪৫ মিটার অথবা রাসত্মার শেষ প্রামত্ম হতে ইমারতের নিকটতম প্রামেত্ম দূরত্ব ১.৫০ মিটার যাহা অধিকতর হবে সেই পরিমান জায়গা উম্মুক্ত রাখতে হবে।

 

(L)         পশ্চাতে ০.০০ বর্গমিটার হতে ২০০ বর্গমিটার পর্যমত্ম ১.০০ মিটার, ২০০ মিটারের অধিক হতে ২৬৮ মিটার পর্যমত্ম ১.৫০ মিটার এবং ২৬৮ মিটারের অধিক হলে ২.০০ মিটার জায়গা উম্মুক্ত রাখতে হবে।

 

(M)      ইমারতের উভয় পার্শ্বে-০.০০ বর্গমিটার হতে ১৩৪ বঃ মিঃ পর্যমত্ম ০.৮০ মিটার, ১৩৪ মিঃ এর অধিক হতে ২৬৮ মিঃ পর্যমত্ম ১.০০ মিটার এবং ২৬৮ মিঃ এর অধিক হলে ১.২৫ মিঃ জায়গা উম্মুক্ত রাখতে হবে।

 

(ঘ)   ১৯৫২ সালের ইমারত নির্মাণ বিধিবদ্ধ আইন এবং ১৯৫৩ সালের ( ২ নং ই,বি) আইন ভংগ করে খুলনা  উন্নয়ন কর্তৃপÿ থেকে নকশা অনুমোদন বিহীন কোন স্থাপনা করলে তাহা অপসারণ করা হয়। উলেস্নখ্য যে, অপসারনের যাবতীয় খরচ অননুমোদিত নির্মাণ কারীর নিকট থেকে আদায় করা আইনসিদ্ধ।

 

(O)        বিসি কমিটি/ অথরাইজড অফিসারের যে কোন সিদ্ধামেত্ম আবেদনকারী সংÿুব্দ হলে উক্ত বিষয়ে এ্যাপিলেট কমিটি বরাবর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আবেদন করা যেতে পারে। এÿÿত্রে এ্যাপিলেট কমিটির সিদ্ধামত্মই চুড়ামত্ম।

 

২)     নকশা প্রনয়ণকারী ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানকে কেডিএ’তে তালিকাভূক্ত করা হয়ে থাকে। এছাড়াও নক্শা অনুমোদন ও অননুমোদিত নির্মাণ কাজ সংক্রামত্ম যে কোন তথ্যের প্রয়োজনে one stop service centreএ যোগাযোগ করা যেতে পারে।

 

প্রকৌশল শাখা

১।    খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপÿÿর উন্নয়নমূলক প্রকল্পের যাবতীয় কাজ, পূর্ত/ বৈদ্যুতিক মেরামত ও রÿণাবেÿন কাজ পূর্ত বিভাগের অধীনে সম্পন্ন করা হয়।

 

২।    যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ক্রয়, মেরামত ও এতদসংক্রামত্ম যাবতীয় কাজ প্রকল্প বিভাগের অধীনে সম্পন্ন করা হয়।

 

৩।   সকল কাজের টেন্ডারের ÿÿত্রে পি পি আর-২০০৩ অনুসরণ করা হয়।

 

৪।    সাধারণ প্রাক্কলিত অর্থাংক ১৫,০০০ /-(পনের হাজার) টাকা কিংবা জরম্নরী প্রয়োজনে ÿÿত্র বিশেষে  ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার ) টাকার মধ্যে হলে ডাউরেক্ট প্রকিউরমেন্ট পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণ করা হয়।

 

৫।    প্রাক্কলিত অর্থাংক উলেস্নখিত অর্থের উর্দ্ধে হলে ২৫,০০,০০০/-(পঁচিশ লÿ) টাকা পর্যমত্ম কাজের ÿÿত্রে রেষ্ট্রিকটেড টেন্ডার বা ওপেন টেন্ডার পদ্ধতি এবং ২৫,০০,০০০/-(পঁচিশ লÿ) টাকার উর্দ্ধে কাজের ÿÿত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ওপেন টেন্ডার পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

 

৬।   টেন্ডারে অংশ গ্রহণের উদ্দেশ্যে পূর্ত বিভাগের আওতায় পূর্ত/বৈদ্যুতিক ঠিকাদার তালিকাভূক্ত ও লাইসেন্স হালনাগাদ নবায়ন করা হয়।

 

৭।    উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরামর্শক নিয়োগ কার্যক্রম পূর্ত বিভাগ হতে করা হয়।

 

৮।   টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ বা সরবরাহ সমাপ্ত হলে ঠিকাদারের বিল দাখিলের পর বিল পরিশোধ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

 

৯।    ঠিকাদার অথবা সরবরাহকারীর বিল দাখিলের ২৮ দিনের মধ্যে বিল প্রদান করা হয়।

 

১০।  বিলের চেক প্রাপ্তির জন্য One stop service centreএর মাধ্যমে অর্থ ও হিসাব রÿণ অফিসার এর সঙ্গে যোগযোগ করা যেতে পারে।

 

১১।  এছাড়াও প্রকল্প বিভাগ হতে কেডিএ’র রোড রোলার, রাবার হুইল ডোজার ও সিফফুট রোলার নির্ধারিত হারে ফি জমা নিয়ে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বরাবরে ভাড়া প্রদান করা হয়। এতদসংক্রামত্ম প্রয়োজনে সহকারী প্রকৌশলী ( যানবাহন ও বিবিধ) অথবা নির্বাহী প্রকৌশলী ( প্রকল্প) এর সংগে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

 

 

কেডিএতে বিভিন্ন কাজে আগত জনসাধারণের সার্বিক সেবা দানে

One Stop Service Centret

 

১)     কেডিএতে বিভিন্ন কাজে আগত জনসাধারনকে স্বল্প সময়ে সার্বিক সহযোগিতা ও সর্বোত্তম সেবা প্রদানের লÿÿ্য ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস সেন্টার (ঙহব ঝঃড়ঢ় ঝবৎারপব ঈবহঃৎব) চালু রয়েছে ।

 

২)     এই সেন্টারের মাধ্যমে জনসাধারনের সাথে সম্পৃক্ত কেডিএ’র বিভিন্ন শাখা সমূহের কাজের বিষয়ে (পস্নট বরাদ্দ, পস্নট হসত্মামত্মর, পস্নটের টাকা পরিশোধ, দখল হসত্মামত্মর, রেজিষ্ট্রেশন, নামজারী, ষ্টল/দোকানের ভাড়া পরিশোধ, বিলবোর্ড/ সাইনবোর্ড এর স্পেস বরাদ্দ, ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র (এন ও সি), ভবন নির্মানের পূর্বে নক্শা অনুমোদন এর নানাবিধ দিক এবং টেন্ডার সম্পর্কিত যাবতীয় কাজের সার্বিক পরার্মশসহ চাহিত সকল সহযোগিতা প্রদান করা হয়ে থাকে।

 

৩)    জনসাধারনকে সার্বিক পরামর্শ ও সহায়তা প্রদানের লÿÿ্য প্রত্যহ অফিস সময়ে একজন ১ম শ্রেনীর কর্মকর্তা ঙহব ঝঃড়ঢ় ঝবৎারপব ঈবহঃৎব- এ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাছাড়া কোন ব্যক্তিকে যাতে একই কাজে অহেতুক বারংবার এই কার্যালয়ে না আসতে হয় তজ্জন্য প্রথম আগমনের সময়েই কতদিন পর কাজ শেষ হতে পারে তার সম্ভাব্য সময় বলে দেওয়া হয় ।

 

৪)     অহেতুক হয়রানী, প্রতারনা ও দালাল চক্রের হাত হতে রÿা পেতে এবং কেডিএ’র সেবা পেতে সেবা প্রত্যাশি যে কোন ব্যক্তি নির্বিঘ্নে ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস সেন্টারের সাহায্য নিতে পারেন।

 

৫)    কেডিএতে যে কোন কাজের উদ্দেশ্যে কোন প্রতারক, দুষ্টু/ দালাল চক্রকে বা অন্য কাউকে দিয়ে প্রতারিত হবেন না। সকল প্রকার নির্ধারিত ফি কেডিএ’র পাকা রসিদের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়।

 

৬)    কেডিএ’র যে কোন বিষয় সম্পর্কে আপনার কোন অভিযোগ/পরামর্শ থাকলে তা কর্তৃপÿকে অবহিত করণের জন্য এই কর্তৃপÿÿর নীচতলায় রÿÿত অভিযোগ বাক্সে অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। তাছাড়া কোন ব্যক্তি অধঃসত্মন কর্মকর্তার নিকট হতে কোন বিষয়ে প্রতিকার না পেলে জরম্নরী প্রয়োজনে চেয়ারম্যান মহোদয়ের একামত্ম সচিবের মাধ্যমে চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে ব্যক্তিগত সাÿাৎ করা যেতে পারে ।

 

৭)     কেডিএ সম্পর্কে যে কোন তথ্য  জানতে www.kda.gov.bdওয়েব সাইটে লগ অন করা যেতে পারে।

 

৮)    খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপÿ পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নের মাধ্যমে আধুনিক নগরায়নে প্রতিশ্রম্নতি বদ্ধ।